ad click

Showing posts with label Diabetes Medicine. Show all posts
Showing posts with label Diabetes Medicine. Show all posts

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে যা খাবেন





ডায়াবেটিস নির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে গেলে তা শরীরের ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে রাখাই সর্বোত্তম পস্থা। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। এর পাশাপাশি কিছু খাবারও ডায়াবেটিস রোগীকে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে। 

নিচে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক কয়েকটি খাবার নিয়ে আলোচনা করা হলো :

সবুজ চা: সবুজ চা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে; ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে এটি।

মাছ: গবেষণায় দেখা যায়, মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতাকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়তা করে। এতে চর্বিহীন প্রোটিন রয়েছে।

ডিমের সাদা অংশ: ডিম পেশি গঠনকারী খাদ্য। এতে উচ্চ মানের প্রোটিন রয়েছে। ডিমের সাদা অংশে উচ্চ মানের চর্বিহীন প্রোটিন এবং কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা ২ ধরণের ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে।

লেবু: লেবু ও লেবু জাতীয় ফল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি এর অভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে। তবে লেবু জাতীয় ফল খেলে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ হয়। জাম্বুরা, কমলা, লেবু এবং লাইমস ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিনের মতো কাজ করে।

সবুজ শাক সবজি: সবুজ শাক সবজি ২ ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, পাতা কপি, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম। গবেষণায় বলা হয়, সবুজ শাক সবজি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে।

শস্য দানা: প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শস্য দানা মানুষের শরীরের রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা কমে। আবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে শস্য দানা। এই ক্ষেত্রে অনেক কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে ব্রাউন রাইস।

বাদাম: গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিসের ঝুকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমায় চীনাবাদাম। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১ আউন্স আখরোট বা কাজুবাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিস্ময়করভাবে কাজ করে। নিয়মিত বাদাম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।
·      nnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnnn



যারা যৌন রোগ থেকে চির মুক্তি নিতে চান,
·       যৌন মিলনের পরিপুর্ন সুখ পেতে চান
·       স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনমালিণ্য দূর করতে চান
·       বীর্য গাঢ় করে ,যৌন মিলনকে আরো দীর্ঘ করতে চান
·       এবং যারা প্রাকৃতিক ঔষধে যৌন রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান

 গুগুল প্লে স্টোর বা নিচের লিংক থেকে ” যৌন রোগের প্রাকৃতিক ঔষধএপ্সটি ডাউনলোড করুন, যৌন রোগে অনেক অজানা তথ্য পাবেনযদি ভাল লাগে,উপকারে আসে,তা হলে এপ্সে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনে একটি বা দুইটি ক্লিক করে,আমাকে সহায়তা করার জন্যে অনুরুধ করা হল

এপ্সটির লিংকঃ



********************************************************
যৌন রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শে জন্যে যোগাযোগ করতে পারেনঃ

ডাঃ সামসুল হক
এল এইচ এম পি (বিএইচপিবি)
ডি এইচ এম এস (বিএইচবি)
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,ঢাকা
বাসা  # ১৬,রোড #১২/বি,সেক্টর # ১০,উত্তরা,ঢাকা

মোবাইলঃ ০১৫৩৪৫৮৮৯৪১

Share:

রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুচিনিঃ



দারুচিনি তেল বা পাউডার আকারে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে আসে ৪৮%! 
Share:

রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ঢেঁড়সঃ


ভোজ্য আঁশে ভরপুর এই সবজি রক্তে শর্করার মাত্রার ভারসাম্য এবং ইন্সুলিনের উৎপাদন ও নিঃসরণ বাড়াতে সাহায্য করে। এর বীজে আছে আলফা-গ্লুকোসিডেইস ইনহিবিটর’, যা স্টার্চ বা শ্বেতসারকে শর্করায় পরিণত হতে বাধা দেয়।

Share:

রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ডুমুরের পাতা:


স্পেনের গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে প্রতিদিন সকালে নাস্তার সাথে ডুমুরের পাতার চা খেলে ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিক রোগীদের দৈনিক ইনসুলিনের চাহিদা ১২% কমে যায় মাত্র এক মাসে।

Share:

রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলাঃ




করলা তেতো হলেও অনেকের প্রিয় সবজি। ভর্তা, ভাজি আর তরকারিতে করলার কদর অনেক। মানবস্বাস্থ্যের জন্য এই সবজির উপকারী গুণও কম নয়। 


Share:

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জামের বীজঃ



জাম একটি মৌসুমী ফল।ম্যাক্রোবায়োটিক পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ শিল্পা অরোরা জানাচ্ছেন,"ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জামের বীজ খুবই উপকারী।
Facebook Business Page Promotion, Please Visit

http://bit.ly/39tr972
Share:

রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মেথি:


মেথি একটি একটি ভেষজ মৌসুমী গাছ।  মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্যতিনটিই বলা চলে। মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এর পাতা শাক হিসাবে খাওয়া হয়।যুগ যুগ ধরেই মেথির বীজ নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 

Share:

ডায়াবেটিস রোগে ‘তেলাকুচা’ ব্যবহারঃ



অনেকটা পটলের মতো দেখতে তেলাকুচা গাছটি বহু ভেষজগুণ সমৃদ্ধ একটি উদ্ভিদ তেলাকুচা অঞ্চল ভেদে একে কুচিলা, তেলা, তেলাকুচ, তেলাহচিসহ বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

Share:

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ৪টি প্রাকৃতিক উপায়

ডায়াবেটিস হলে দেহের রোগ নিরাময়ক্ষমতা কমে যায়। তবে কিছু বিষয় মেনে চললে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ইয়াহুহেলথ জানিয়েছে প্রাকৃতিকভাবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের উপায়। চাপ দূর করতে মেডিটেশনঃ চাপ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত মেডিটেশন করুন। করটিসল, এপিনেফ্রিন এবং গ্লুক্যাজন এসব হরমোন বেড়ে যায় চাপের কারণে। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। নিয়মিত ব্যায়াম করলে ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা বহুলাংশে কমে যায়। ভালোমতো ঘুমঃ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভালো করে ঘুমানো খুব জরুরি। ঘুমের সমস্যার কারণে ওজনাধিক্য এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ঘুম কেবল এসব সমস্যাই নয়, মস্তিষ্ক শিথিল করে মানুষকে কর্মক্ষম রাখতেও সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়ামঃ প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। শারীরিক কার্যক্রম দেহে টিস্যুর সংবেদনশীলতা বাড়াতে কাজ করে এবং ওজন ঠিক রাখে। ব্যায়াম রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে কার্যকরী।হাটাই হল ডায়াবেটিস রোগীদের উত্তম ব্যায়াম। তবে ব্যায়াম শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তাজা খাবার খানঃ চেষ্টা করুন তাজা খাবার খেতে। কারখানায় খাবার প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় অনেক খাবারের মান নষ্ট হয়ে যায় বা কমে যায়। বেশি করে ফল, সবজি, মাছ, মাংস এবং বাদাম খাওয়া ভালো। এসব খাবার কার্বোহাইড্রেট, শর্করা এবং চর্বিকে পরিশোধিত করে। এসব খাবার ওজন নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।





********************************************************
যৌডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা পরামর্শে জন্যে যোগাযোগ করতে পারেনঃ

ডাঃ সামসুল হক
এল এইচ এম পি (বিএইচপিবি)
ডি এইচ এম এস (বিএইচবি)
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,ঢাকা
বাসা  # ১৬,রোড #১২/বি,সেক্টর # ১০,উত্তরা,ঢাকা

মোবাইলঃ ০১৫৩৪৫৮৮৯৪১

Share:

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে হোমিওপ্যাথি ঔষধ

হোমিওপ্যাথিতে ডায়াবেটিসের অনেক ঔষধ আছে যা রোগের লক্ষনের ভিত্তিতে সেবন করতে হয়।
 হোমিওপ্যাথি ঔষধ-১ 


Share:

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে প্রাকৃতিক ঔষধঃ

বর্তমানে অনেকেই ডায়াবেটিসের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন প্রাকৃতিক চিকিৎসার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী । রোগীদের এ আগ্রহের কারণেই সারাবিশ্বেই এ রোগের প্রাকৃতিক চিকিৎসার নানা ঔষধ ব্যাপকভাবে বিক্রি হচ্ছে। নিচে কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি যেগুলো ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে এবং যেগুলোর কার্যকারিতা গবেষণাগারেও প্রমাণিত হয়েছে এবং বিভিন্ন জার্নালেও তা প্রকাশিত হয়েছে।
 Video editing/ edit video ,please visit
 http://bit.ly/32QwYc3

 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জামের বীজঃ ম্যাক্রোবায়োটিক পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ শিল্পা অরোরা জানাচ্ছেন,"ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জামের বীজ খুবই উপকারী। ফল ও বীজ উভয়েই উপস্থিত জাম্বোলাইন ও জাম্বোসাইন নামক পদার্থ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। জামের বীজও রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। জাম খাওয়া উপকারী। বীজগুলো শুকিয়ে গুঁড়ো করে প্রত্যেকদিন খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যেভাবে খাওয়া হয়ঃ বর্ষাকালে জাম প্রচুর পাওয়া যায়। এই ফলের উপকারিতা সকলের হয়তো জানা নেই। এই ফলে প্রচুর আয়রণ আছে। জামের বিচি শুকিয়ে মিহি পাউডারের মতো গুঁড়ো করে নেবেন। প্রতিদিন এ্‌ই পাউডার অসুখের গুরুত্ব অনুযায়ী খালি পেটে তিন থেকে চার বার করে ১-২ চা চামচ মাত্রায় পানির সঙ্গে মিশিয়ে দশ থেকে পনেরো দিন খেলে অসুখ কমবে এবং রোগী দু মাসে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যেতে পারে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে তেলাকুচাঃ আকৃতিতে পটলের মতো দেখতে ‘তেলাকুচা’ গাছটি বহু ভেষজগুণ সমৃদ্ধ একটি উদ্ভিদ । ‘তেলাকুচা’ অঞ্চল ভেদে একে কুচিলা, তেলা, তেলাকুচ, তেলাহচিসহ বিভিন্ন নামে ডাকা হয়। তেলাকুচা গাছটির ভেষজ ব্যবহারের জন্য এর পাতা, লতা, মূল ও ফল অত্যন্ত উপকারী। ডায়াবেটিস, জন্ডিস, পা ফোলা রোগ, শ্বাসকষ্ট, কাশি, স্তনে দুধ স্বল্পতা, ফোঁড়া ও ব্রণ, আমাশয়, মাথা ঠাণ্ডা রাখা এবং অরুচির রোগের ক্ষেত্রে তেলাকুচা গাছের উপকরণ রয়েছে নানাবিধ ব্যবহার। গ্রামে তেলাকুচার পাতার রস মাথা ঠাণ্ডা রাখার জন্য ব্যবহার করে তেলাকুচা ব্যবহারঃ যেহেতু তেলাকুঁচোয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ থায়ামিন থাকে। থায়ামিন কার্বহাইড্রেট গ্লুকোজে পরিণত করতে সাহায্য করে।, তাই এটি পরিপাক সহায়ক।এটি প্রোটিন এবং চর্বি ভাঙতেও সহযোগিতা করে। বেঙ্গালোরের একদল ডাক্তার গবেষণা করে বের করেছেন, এটি ডায়াবেটিকস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ। তেলাকুঁচো প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। যেভাবে খাওয়া হয়ঃ কাঁচা ফল তরকারী হিসেবে খাওয়া যায়, পাতা শাক হিসেবে ভেজে খাওয়া যায়। এছাড়া কাঁচা ফল এবং কচি পাতা দিয়ে সুপ এবং সালাদ তৈরি করা হয়।কাঁচা ফল পটলের মত চিরে দুইভাগ করে ভেজে খাওয়া যায়। রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে মেথিঃ মেথি একটি একটি ভেষজ মৌসুমী গাছ। মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটিই বলা চলে। মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এর পাতা শাক হিসাবে খাওয়া হয়।যুগ যুগ ধরেই মেথির বীজ নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মশলা হিসাবেও এটি প্রচুর ব্যবহার হয়।। এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। মেথি থেকে ষ্টেরয়েডের উপাদান তৈরি হয়। এতে থাকে ‘ট্রাইগোনেলিন’, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্নভাবে গ্রহণ করা যায় এটি। যেমন মেথি বীজের গুঁড়া গরম পানিতে মিশিয়ে পান করতে পারেন। কিংবা সারারাত পানিতে ভেজানো বীজ পরদিন খেতে পারেন। রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলাঃ করলা তেতো হলেও অনেকের প্রিয় সবজি। ভর্তা, ভাজি আর তরকারিতে করলার কদর অনেক। মানবস্বাস্থ্যের জন্য এই সবজির উপকারী গুণও কম নয়। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত করলা রাখুন। পুষ্টিবিদদের মতে করলার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা অনেক। চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা হাসিনা আকতারের তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত করলা খেলে রোগবালাই থাকে ১০০ হাত দূরে। প্রতি ১০০ গ্রাম করলায় আছে ২৮ কিলোক্যালরি, ৯২ দশমিক ২ গ্রাম জলীয় অংশ, ৪ দশমিক ৩ গ্রাম শর্করা, ২ দশমিক ৫ গ্রাম আমিষ, ১৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম লোহা ও ৬৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি। করলায় রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও রক্তের চিনি কমানোর উপাদান। ডায়াবেটিসের রোগীরা রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত করলা খেতে পারেন। যেভাবে খাওয়া হয়ঃ প্রতিদিন কম পক্ষে এক গ্লাস করে করলার রস তিন বেলা পান করুন।এতে রক্তের সুগারের মাত্রা কমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ থাকবে। রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ঢেঁড়সঃ ভোজ্য আঁশে ভরপুর এই সবজি রক্তে শর্করার মাত্রার ভারসাম্য এবং ইন্সুলিনের উৎপাদন ও নিঃসরণ বাড়াতে সাহায্য করে। এর বীজে আছে ‘আলফা-গ্লুকোসিডেইস ইনহিবিটর’, যা স্টার্চ বা শ্বেতসারকে শর্করায় পরিণত হতে বাধা দেয়। রান্না করে খাওয়া তো যায়ই, চাইলে কাঁচা-ঢেড়স ফালি করে কেটে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে পানিটুকু পান করতে পারেন। রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুচিনিঃ দারুচিনি তেল বা পাউডার আকারে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে আসে ৪৮%! গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, দারুচিনির আছে অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড এর মাত্রা কমিয়ে আনার প্রাকৃতিক সক্ষমতা। আর এই দুটি উপাদান প্রাকৃতিক ভাবে কমিয়ে আনতে পারলে রক্তে সুগারের মাত্রাও নি Video editing/ edit video ,please visit http://bit.ly/32QwYc3 ডুমুরের পাতা: স্পেনের গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে প্রতিদিন সকালে নাস্তার সাথে ডুমুরের পাতার চা খেলে ইনসুলিন নির্ভর ডায়াবেটিক রোগীদের দৈনিক ইনসুলিনের চাহিদা ১২% কমে যায় মাত্র এক মাসে। এছাড়াও ডুমুর পাতার চা পানে রক্তে ক্ষতিকর চর্বির মাত্রা কমে যায়। ডুমুরের পাতার পলিফেনল হুবহু ইনসুলিনের মতো কাজ করে। আধা লিটার পানিতে ২ টেবিল চামচ শুকনা ডুমুরের পাতার গুড়া ছেড়ে দিন। এরপর ১৫মিনিট বা তার অধিক সময় ধরে ফুটান যাতে পানির পরিমাণ অর্ধেক হয়ে যায়।এখন এই চা পান করুন নাস্তার সাথে। উপরোক্ত ঔষধ গুলি কবিরাজি বা বানিয়াতি দোকানে পাউডার আকারে কিনতে পাওয়া যায়। ডায়াবেটিস হলে অব্যশ্যই ডাক্তারে পরামর্শে ঔষধ খাবেন।
Share:

ডায়াবেটিস কি ? কারন ও লক্ষন

ডায়াবেটিস কি? বর্তমান বিশ্বে ডায়াবেটিস একটি বহুল আলোচিত একটি রোগ।দেহে ইনসুলিনের অভাব হলে, ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা কমে গেলে বা এই দুই কারণেই রক্তে শর্করার পরিমাণ যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বৃদ্ধি পায়, তখন তাকে ডায়াবেটিস বলে। 

Share:

Recent Posts

Featured Post

বীর্য গাঢ় করার কবিরাজি ঔষধঃ

অনেকে যৌন মিলনের সময় খুব দ্রুত বীর্য পাত হয়ে বীর্য বের হয়ে যায়।এতে যৌন মিলনের   পরিপুর্ন সুখ পাওয়া যায় না।আর   স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনম...

Contact Form

Name

Email *

Message *

Donate a little amount for encouraging to me

Video editing/ edit video

slider

Recent Posts

3/recent/post-list

Pages